Breaking News
Home / অন্যান্য / রাজারহাটে ৬০ বছর পর পৈত্রিক সম্পত্তি ফিরে পেলেন মৃত্যু দূর্গাদাসের পরিবার

রাজারহাটে ৬০ বছর পর পৈত্রিক সম্পত্তি ফিরে পেলেন মৃত্যু দূর্গাদাসের পরিবার

রেজাউল হক কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার উমর মজিদ ইউনিয়নে, পান্তাপাড়া গ্রামের ৮ নং ওয়ার্ডের খুকি রানি এবং মৃত্যু দুর্গাদাস বকসির পরিবার দীর্ঘ ৬০ বছর পর আদালতের নির্দেশে পৈত্রিক সম্পত্তি ফিরে পেয়েছেন। মুকুল মিয়া (৩৩) মোস্তা মিয়া (২৭) উভয় পিতা, মোজা মিয়া, ভোলা মিয়া (২৬) পিতা হায়বর আলি, শফিক মিয়া (২৬) পিতা হবি রহমান, সাইফুল ইসলাম (২৭) পিতা, নজরুল ইসলামের গংদের দখলে থাকা সম্পত্তি থেকে বাড়িঘরসহ সব স্থাপনা উচ্ছেদ করে মামলার বাদী মৃত্যু দূর্গাদাস বকসির বোন খুকি রানি এবং তার ছেলে সুদিপ কুমার বকসি (৩৫) দুলাল বকসি, ভোক্তা দাস বকসির স্বজনদের কাছে তা বুঝিয়ে দেন, কুড়িগ্রাম জজ কোর্টের নাজির সহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মাদুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রাজারহাট থানার এস আই মোঃ শরিফুল ইসলাম এবং তার সাথে পুলিশ সদস্যরা সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, পান্তাপাড়া গ্রামের মৃত্যু দূর্গাদাস বকসির বোন খুকি রানি এবং তার ছেলে সুদিপ কুমার বকসি, ও দুলাল বকসির পৈত্রিক ৩ একর ৯৯ শতাংশ ফসলি জমি দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে স্থানীয় মোজা মিয়া স্বপরিবার সহ হায়বর আলি, শফিক মিয়া গংরা জোরপূর্বক ভোগ দখল ও চাষাবাদ করতেন। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক হলেও তাতে কোনো সুরাহা হয়নি। ফলে মৃত্যু দূর্গাদাস বকসির বোন খুকি রানি বাদী হয়ে কুড়িগ্রাম জজ কোর্টে মোজা মিয়া, হায়বর আলি, হবি মিয়ার গংদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দীর্ঘদিন চলার পর দীর্ঘ ৬০ বছর আদালতে বিভিন্ন শুনানি শেষে ২০২০ সালের কোন একদিন আদালত মামলার বাদী খুকি রানির গংদের পক্ষে রায় দেয়। পরে আদালতের পক্ষ থেকে বুধবার (৩১ মার্চ) বিকালে বাদীকে সরজমিনে ৩ একর ৯৯ শতাংশ জমির দখল বুঝিয়ে দেয়া হয়।

SK Computer, Godagari, Rajshahi. 01721031894

About জনতার কথা ডেস্ক

Check Also

তিন মাসের ব্যবধানে একই গাড়িতে বাবা ও ছেলের মৃত্যু,এক লক্ষ ১০ হাজার টাকায় সমঝোতা

মোঃ পাভেল ইসলাম রাজশাহী প্রতিনিধিঃ মাত্র তিন মাস আগে টাক্টর চাপায় করুন মৃত্যু হয়েছিলো রাজশাহীর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *