Breaking News
Home / অর্থনীতি / রাজারহাটের হাসান আলী, নার্সারি করে সফলা অর্জন,

রাজারহাটের হাসান আলী, নার্সারি করে সফলা অর্জন,

রাজারহাট প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের, রাজারহাট উপজেলার, উমর মজিদ ইউনিয়নে, ভাই-ভাই নার্সারি করে, দুই ভাই জীবনের চলার পথ খুঁজে পেলো। ১ং ওয়ার্ডের, রাজমাল্লীর হাট, ঘুমারু ঘুমশিতলা গ্রামের দুই ভাই, মোঃ হাসান আলী ও হাবিবুর রহমান বর্তমানে তাদের নার্সারিতে রয়েছে প্রায়, ৫০ হাজার ফুল, ফলজ, ভেষজ, বনজসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ। প্রতি চারা রোপণ মৌসুমে তাদের আয় ৫ লাখ টাকা।
জানা গেছে, রাজারহাট উপজেলার, উমর মজিদ ইউনিয়নে, ১নং ওয়ার্ডের, রাজমাল্লীর হাট থেকে গলাকাটা রোডের চুকচুকার পাড় ব।ব্রীজ সংলগ্ন ঘুমারু ঘুমশিতলা গ্রামের সড়কের পাশে গড়ে তোলা হয়েছে, “‘ভাই-ভাই” নার্সারি’। ২০০৫ সালে ১০ হাজার টাকা মূলধন নিয়ে পৈতৃক ৫ শতক জমির ওপর এই নার্সারি গড়ে তোলেন, মোঃ হাসান আলী ও হাবিবুর রহমান।
পর্যায়ক্রমে নার্সারির আয়তন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১একর ৫ শতক। দুই ভাইয়ের নামে নার্সারির নামকরণ করা হয়। “ভাই-ভাই” নার্সারি। নার্সারি করার আগে, হাসান আলী, স্থানীয় মোঃ আক্কাস আলীর নার্সারি দেখার পরে, হাসান আলী তার কাছে কিছু অভিজ্ঞতা নিয়ে,তার সহযোগিতায়
নার্সারি করেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নার্সারিতে আম, জাম, কাঁঠাল, বরই, পেয়ারা, লেবু, জাম্বুরা, মাল্টা, জলপাই, লিচু, মরিচ, বেগুন, বিভিন্ন জাতের ফুল এবং ওষধি গাছ পাথরকুঁচি, হরিতকি, তুলশী চারা রোপণ করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে প্রায় ১২ হাজার ৮৫০ টি ফলজ জাতের কলম চারা, প্রায় ২ হাজার ৩৮০টি কাঠ গাছের চারা, প্রায় ২ হাজার ৫০৮টি সবজির চারা, সৌন্দর্য্য বর্ধনকারী ৮০০শত চারা ও বিভিন্ন কলম তৈরির জন্য প্রায় ২৭০টি মাতৃগাছের চারা রয়েছে। বর্তমানে দৈনিক ৩-৪ হাজার টাকা মূল্যের চারা বিক্রি হচ্ছে। কুড়িগ্রাম, রাজারহাট, নাজিম খাঁন, উলিপুর, ফরকেরহাট, লালমনিরহাট বিভিন্ন উপজেলা থেকে অনেকে চারা কিনতে আসেন।
মোঃ হাসান আলী ও হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা চারার জাত ও মানের গ্যারান্টিসহ বিক্রি করি। কথা ও কাজে মিল থাকায় জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকাররা চারা নিতে আসেন। রাজশাহীর বিখ্যাত আম বাগানে আমাদের চারা নিয়েই গড়ে তোলা হয়েছে। প্রতি মৌসুমে প্রায় ৫ লাখ টাকা মূল্যের চারা বিক্রি হয়।
জানা গেছে, নার্সারির আয় দিয়ে, মোঃ হাসান আলীর পিতা, মোঃ আঃ বাতেন, বলেন, আমার দুই ছেলের লেখা পড়া সহ ভাল ভাবে পরিবারের খরচ চলে। ছেলে হাবিবুর রহমান বলেন, আমি লেখাপড়ার পাশাপাশি সুযোগ পেলেই নার্সারির কাজে বাবাকে সহায়তা করি। মোঃ হাসান আলী বলেন, নার্সারি মুনাফা করাই বড় কথা নয়। আমরা মানুষকে গাছ লাগাতে উদ্বুদ্ধ করি। মূলত গাছের প্রতি ভালোবাসা থেকে এই নার্সারি শুরু করেছিলাম। বর্তমানে নার্সারিতে ৩-৫ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করেন।
মোঃ হাসান আলী বলেন, বর্তমানে নার্সারির ১ একর ৫ শতাংশ জায়গায় প্রায় ৫ টাকা মূল্যের গাছের চারা রয়েছে। নার্সারিকে দেশের মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এজন্য দিন-রাত কাজ করি। তবে সরকারি সহায়তা পেলে নার্সারির আয়তন আরও বাড়ানো সম্ভব হতো এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতো।
রাজারহাট উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব, মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, পরিধি ও আয়তন বাড়াতে নার্সারি মালিকদের পরামর্শসহ বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
SK Computer, Godagari, Rajshahi. 01721031894

About জনতার কথা ডেস্ক

Check Also

রাজশাহীতে প্রথম দিনই সাড়া ফেলেছে ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন

মো.পাভেল ইসলাম নিজস্ব প্রতিবেদক: গত বছর চাহিদা না থাকায় তেমন সাড়া মেলেনি ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *