Breaking News
Home / অপরাধ / নওগাঁয় শিকারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তার বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ, সকল সদস্যের অনাস্থা : আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী

নওগাঁয় শিকারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তার বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ, সকল সদস্যের অনাস্থা : আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী

নওগাঁ প্রতিনিধি : বিভিন্ন দুর্নীতি এবং অনিয়মের কারণে নওগাঁ সদর উপজেলার ১১ নং শিকারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ময়নুল হক মুক্তার বিরুদ্ধে অনাস্থা আনয়ন করেছেন ঐ ইউনিয়নের সকল সদস্যবৃন্দ। নওগাঁ সদর উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ঐ অনাস্থা প্রস্তাব ১১-০ ভোটে গত ১লা এপ্রিল পাশ করেছেন।
এই অনাস্থার প্রেক্ষিতে অনাস্থায় স্বাক্ষরকৃত সকল ইউপি সদস্য এসব অনিয়ম প্রকৃত তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন।
জেলা প্রশাসক বরাবর দায়েরকৃত এক অভিযোগপত্রে উক্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সমুহের মধ্যে বহিরাগত লোক দিয়ে ইউনিয়ন বাসীর নিকট থেকে ২০১৮, ২০১৯ ও ২০২০ এই তিন বছরের ঘরপ্রতি ৫০ টাকা থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত প্রায় ৬ থেকে ৭ লক্ষ টাকা ট্যাক্স আদায় করে সরকারী হিসাবে জমা না দিয়ে পুরোটা আত্মসাৎ করেছেন।
ইনিয়নে ভি জি ডি ভাতাভুক্ত ২’শ জনের নিকট হতে প্রথম মাস থেকে ৬ মাসের আদায়কৃত সঞ্চয়ের টাকা সঞ্চয় বহিতে জমা না করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনেছেন।
প্রত্যেক ইউপি সদস্যকে চাপ সৃষ্টি করে অফিসের উন্নয়নের নাম করে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা ভোগিদের নিকট থেকে ৭৯ হাজার টাকা আদায় করে নিয়ে কোন কাজ না করেই নিজেই সম্পূর্ণ  টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
২০১৯ সালের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে খেলাধুলার সামগ্রী ক্রয় করার সরকারী বরাদ্দের ২ লক্ষ টাকা কোন সামগ্রী না ক্রয় বা বিতরণ না করেই পুরোটা আত্মসাৎ করেন। এ ছাড়াও এল জি এস পি’র বরাদ্দকৃত প্রকল্প সমূহ সদস্যদের নামমাত্র প্রকল্প সভাপতি দেখিয়ে নিজেই ইচ্ছামত কাজ করেছেন। যার কারণে ২০১৯ সালের কাজ এখনও অসম্পূর্ন রয়ে গেছে। বিগত ৪ বছর ধরে রেজিষ্ট্রি অফিস থেকে প্রাপ্ত বিধি মোতাবেক শতকরা ১ ভাগ অর্থ দিয়ে ইউনিয়নের কোন কাজ করা হয় নি।
টি আর এবং কাবিখার ৫০ ভাগ বরাদ্দের সোলার নিয়ম মত বিতরণ না করে নিজস্ব প্রতিবেশী এবং নিজস্ব কর্মীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের ৪০ দিনের হতদরিদ্র কর্মসূচীর প্রকল্পের ইউপি সদস্য রেজাউল হককে প্রকল্প সভাপতি দেখিয়ে কোন কাজ না সম্পূর্ন টাকা তুলে নিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এ ছাড়াও চলমান করোনা ভাইরাসের কারণে বরাকৃত ত্রাণ সামগ্রী কোন ইউপি সদস্যদের সাথে আলোচনা বা সভা না করেই ইচ্ছামত বিতরণ করছেন।
এ মতাবস্থায় সকল ইউপি সদস্য তাঁর এই স্বেচ্ছাচারিতা সহ্য করতে না পেরে নিজেদের অস্থিত্বের লড়াইয়ে ঐ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনাননুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেছেন।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ময়নুল হক মুক্তার সাংবাদিকদের বলেন, ফোনে এতো কথা বলা যাবে না ভাই সামনা-সামনি দেখা করে বলবো।
উপজেলা নির্বাহী আবদুল্লাহ-আল মামুন(০১৭১২-২৫৫৮৬৭) বলেন, এই বিষয়টি তার জানা আছে। এবং তিনি বলেন করোনা ভাইরাস এর কারণে বিষয়টি তদন্ত করতে পারেননি , তবে করোনা পরিস্থিত শিথিল হলে সঠিক ভাবে তদন্ত করা হবে। তিনি এবিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করবেন । সেই কমিটি তদন্ত করবে চেয়ারম্যান এসব অনিয়ম, দুর্নীতি করেছে কিনা জানা হবে বলে জানান।

SK Computer, Godagari, Rajshahi. 01721031894

About জনতার কথা ডেস্ক

Check Also

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে অতিদরিদ্র নারী-পুরুষদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি উদ্বোধন

পাভেল ইসলাম রাজশাহী প্রতিনিধি : রাজশাহী জেলা গোদাগাড়ী উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে অতিদরিদ্র নারী-পুরুষদের জন্য কর্মসংস্থান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *