Breaking News
Home / অন্যান্য / ঘটনা প্রবাহ / খাদ্য সামগ্রী দিয়ে ৬শ’ অটোরিকসা ছেড়ে দিলো কুমিল্লা পুলিশ ও ডিসি

খাদ্য সামগ্রী দিয়ে ৬শ’ অটোরিকসা ছেড়ে দিলো কুমিল্লা পুলিশ ও ডিসি

কুমিল্লা প্রতিনিধি:
ঘরে খাবার নেই। তাই নিজের ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা নিয়ে রাস্তায় বের হয় আনোয়ার হোসেন। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বের হওয়ার কারণে  পুলিশ আনোয়ার হোসেনের অটোরিক্সা টি আটক করেন।
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বের হওয়া এমন অন্তত ছয়’শ ব্যাটারি ও সিএনজি চালিত অটোরিকসা চালককে আটক করা হয়। পুলিশ লাইনে রাখা হয় আটক বাহনগুলোকে। আটক চালকদের ঘরে খাবার নেই। আবার আয়ের একমাত্র বাহনটি পুলিশের কাছে আটক। দূঃচিন্তায় কপালের ভাঁজ প্রসারিত হতে থাকে বাহন চালকদের।
তবে অটোরিক্সা ও সিএনজি চালকদের কপালের ভাঁজ প্রসারিত হতে দেননি কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো: আবুল ফজল মীর ও পুলিশ সুপার মো: সৈয়দ নুরুল ইসলাম বিপিএম (বার), পিপিএম।
কুমিল্লা জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে নগরীর সড়কগুলোতে যান বাহন চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়। এমন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বের হওয়া অন্তত ছয়’শ ব্যাটারি ও সিএনজি চালিত অটোরিক্সাকে আটক করে কুমিল্লা পুলিশ লাইনস নিয়ে আসা হয়।
আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) বিককাণ ৩ টায় কুমিল্লা পুলিশ লাইনসে জেলা প্রশাসক মো: আবুল ফজল মীর ও পুলিশ সুপার মো: সৈয়দ নুরুল ইসলাম আটক ব্যাটারি ও সিএনজি চালিত অটোরিক্সা চালকদের হাতে আটক বাহনের খাবার সামগ্রী তুলে দিয়ে বাহনগুলো ছেড়ে দেন।
মামলা ছাড়াই ফিরে পেয়েছেন আয়ের একমাত্র উৎস প্রিয় বাহনটি। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে বাড়তি হিসেবে পেয়েছেন খাবার সামগ্রী। আর এতেই আনন্দিত ব্যাটারি ও সিএনজি চালিত অটোরিক্সা চালক আনোয়ার হোসেনরা। জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের প্রতি বাহন চালকরা কৃতজ্ঞতা পোষণ করে বলেন, করোনা ভালো না হওয়া পর্যন্ত আমরা আর রাস্তায় বের হবো না।
পুলিশ সুপার মো: সৈয়দ নুরুল ইসলাম বলেন, জনসমাগম বন্ধে পুলিশ নগরীর রাস্তায় বের হওয়া ব্যাটারি ও সিএনজি চালিত অটোরিক্সাগুলোকে আটক করে পুলিশ লাইনে রাখে। আজ ঐইসব বাহন চালকদের কাছে বাহনগুলি ফিরিয়ে দিয়েছি।
এছাড়াও সবার হাতে এক ব্যাগ করে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিয়েছি। পাশাপাশি তাদেরকে সর্তক করে দিয়েছি। তারা যেন করোনা সংক্র্মণের এই সময়ে বাহন নিয়ে ঘর থেকে বের না হয়।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো: আবুল ফজল মীর বলেন, আমরা জানি তারা খাবারের জন্য ঘর থেকে বের হয়েছিলো। তাই তাদেরকে খাবার দিয়ে বলে দিয়েছি করোনা সংক্রমণের সময় যেন আর না বের হয় সে জন্য সর্তক করে দেওয়াা হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াৎ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আজিম-উল আহসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তানভীর সালেহীন ইমনসহ জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকতাবৃন্দ।

SK Computer, Godagari, Rajshahi. 01721031894

About জনতার কথা ডেস্ক

Check Also

ধান,গম ছেড়ে ভুট্টা চাষে ঝুঁকছে ফুলবাড়ীর চাষিরা

মোঃ আরিফুল ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি: ফুলবাড়ীতে গত ১০-১২ বছরে গমের আবাদ কমেছে অন্তত ৮০ ভাগ। এখন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *