Breaking News
Home / অন্যান্য / উন্মুক্ত জনতার কথা / কুষ্টিয়া হাসপাতালের সামনে নোংড়া ময়লা মিশে বিষাক্ত পানি,কারও কোন উদ্যোগ নেই সমস্যা নিরসনে

কুষ্টিয়া হাসপাতালের সামনে নোংড়া ময়লা মিশে বিষাক্ত পানি,কারও কোন উদ্যোগ নেই সমস্যা নিরসনে

শাহীন আলম লিটন কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :  ২৫০শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালটি কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হিসেবেও জেলার সর্বোচ্চ উন্নত চিকিৎসা সেবার একমাত্র সরকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ২২ লক্ষ মানুষের স্বাস্থ্য সেবার আশ্রয় স্থল। নানাবিধ ঝক্কি-ঝামেলা ও সমস্যা সীমাবদ্ধতা মোকাবিলা করেই শয্যাসংখ্যার প্রায় দুই বা তিনগুন ভর্তিকৃত এবং দেড় শতাধিক  বর্হিবিভাগ রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা দিচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটি। সেই সাথে করোনাক্রান্ত রোগী তো রয়েছেই।
হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী ফারুক আহমেদের অভিযোগ, এই যে দেখছেন হাসপাতাল মসজিদ, প্রধান ডাকঘরসহ গোটা এলাকার পায়খানা, পেসাবখানার ময়লা বাইরে যাওয়ার কোন পথ নেই। একদিকে ড্রেন জ্যাম, অন্যদিকে রাস্তাটা বহুদিনের পুরনো নীচু হওয়ায় আশাপাশের সব নোংড়া ময়লা মিশে এই পানি পুরোটাই এখন বিষাক্ত। পাশের করোনা রোগীর আইসোলেশন ওয়ার্ডের ময়লাও মিশে আছে। শরীরে লাগলেই খবর আছে। আমরা তো জান হাতে করে কাজ করছি।
গাইনী ওয়ার্ডে ভর্তি এক রোগীর স্বজন সজনী খাতুন প্রধান গেট পেরিয়ে এই ময়লা পানির মধ্যে হেটে ওষুধ কিনতে এসে বলেন, হাসপাতালে মানুষ আসছে সুস্থ্য হতে; কিন্তু এখানে যে অবস্থা আমি যতবার ওধুষ নিতে আসছি, ওয়ার্ডে ফিরে ততবার বাথরুমে গিয়ে গোসল করে তারপর রোগীর কাছে যাচ্ছি।
২৫০শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: তাপস কুমার সরকার বলেন, সামান্য বৃষ্টিপাতেই সুয়ারেজের নোংড়া আবর্জনার সাথে একাকার হয়ে স্বাস্থ্য ঝুঁকির ষোল কলা পূর্ন হয়ে যায় হাসপাতাল চত্বরটি। একাধিকবার লিখিত আবেদনেও সাড়া দেননি সংশ্লিষ্ট পৌর কর্তৃপক্ষ। দায়িত্ব নিচ্ছেন না কেউই এমন তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে দীর্ঘদিনের এই সমস্যার জরুরী সমাধানের দাবি করেন তিনি।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: মোসাঃ নূরুন-নাহার বেগম বলেন, সংশ্লিষ্ট পৌর কর্তৃপক্ষ অবহেলা না করে খুব যৎসামান্য সুদৃষ্টি দিলেই দীর্ঘ ৬বছর ধরে বিদ্যমান সুয়ারেজ দূষণে জনভোগান্তিসহ চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে কর্মরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ঝুঁকিমুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা যেত। হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের সভাপতি কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, বিষয়টি খুব দু:খজনক। ওই রাস্তাটি করার কথা কুষ্টিয়া পৌরসভার। পৌর কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেন উনারা কি বলেন।
তবে এবিষয়ে কুষ্টিয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের লিখিত অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়ে কিছুই জানেন না দাবি করে বলেন, কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল চত্বরে জলাবদ্ধতায় জনভোগান্তি নিরসনের কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে। ঠিকাদাররা তো কাজ শুরু করার কথা ? শীঘ্রই এসমস্যার সমাধান হবে। হাসপাতালের মতো এমন জনগুরুত্বপূর্ন প্রতিষ্ঠানের রাস্তাটি দীর্ঘ ৬বছর ধরে জন ভোগান্তির কারণ হয়ে আছে; এতোদিন কাজটি হয়নি কেন এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তোর দিতে পারেন নি তিনি।
SK Computer, Godagari, Rajshahi. 01721031894

About জনতার কথা ডেস্ক

Check Also

রাজশাহী মেডিকেলে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ জনের মৃত্যু

মো.পাভেল ইসলাম নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *