Breaking News
Home / অন্যান্য / উন্মুক্ত জনতার কথা / কুষ্টিয়ার তিন ইউনিয়নের মানুষের কাছে অভিসাপ : হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগ চরমে

কুষ্টিয়ার তিন ইউনিয়নের মানুষের কাছে অভিসাপ : হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগ চরমে

শাহীন আলম লিটন কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: ভেড়ামারা-জুনিয়াদহ সড়ক কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের মানুষরের কাছে অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছে। ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে এ সড়ক সংস্কার হয়না ৫ বছর। পুরো রাস্তা বড় খানাখন্দক। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কটিতে সাধারণ মানুষের পায়ে  হেঁটে চলাচল দুষ্কর হয়ে পড়ে। প্রায় ৬ মাস আগে সংস্কারে দরপত্র আহ্বান ও ঠিকাদার নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হলেও কাজ শুরু হয়নি। ফলে চলতি বর্ষায় হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। জানা যায়, ভেড়ামারা উপজেলার অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ন সড়ক ভেড়ামারা-জুনিয়াদহ সড়ক। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরেরে আওতাধীন ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে এ সড়কে উপজেলার বাহাদুরপুর, মোকারিমপুর ও জুনিয়াদহ ইউনিয়নের প্রায় দেড়লাখ মানুষ এ সড়কে উপজেলা সদরে আসা যাওয়া করে। কিন্তু দীর্ঘ ৫ বছর ধরে সড়কটি সংস্কার কাজ না হওয়ায় এটি। গত বছর বর্ষাকালে সড়ক সংস্কারের দাবিতে স্থানীয়রা রাস্তায় ধান রোপন করে। কিন্তু কাজের কাজ  কিছুই হয়নি। এ বছ  বর্ষা মৌসুম শুরুর পর রাস্তার অবস্থা আরও বেহাল হয়ে পড়েছে। যে রাস্তায় যাতায়াতে ৩০ মিনিট সময় লাগার কথা এখন সেখানে দেড় ঘন্টা লাগছে। বৃষ্টির কারণে রাস্তার খানাখন্দ এখন চৌবাচ্চার আকার ধারণ করেছে। মালবাহী গাড়ি ভাঙ্গা রাস্তার কারনে যততত্রই উল্টে পড়ে থাকছে। প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে এলাকার মানুষ। তারপরও কাজের প্রয়োজনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সড়কে চলাচল করছে মানুষ। সিএনজি চালক আল আমীন জানিয়েছেন, ভেড়ামারা-জুনিয়াদহ সড়ক এখন মরণফাঁদ। এ সড়কে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। গাড়িও নষ্ট হচ্ছে দ্রুত। আগে যেখানে ভেড়ামারায় পৌছাতে ২০ মিনিট লাগতো। এখন সেখানে ৪০/৫০ মিনিটে পৌছারও নিশ্চয়তা  নেয়। ভাড়াও বেশি নেওয়া হচ্ছে যাত্রীদের কাছ থেকে। বেশি ভাড়া না নিলে গাড়ি মেরামত করে সংসার চালানোই দায় হয়ে পড়বে। রাতের সড়ক তো আরো ভয়ংঙ্কর। তিনি দ্রুত রাস্তা সংস্কার করে সাধারন মানুষের জান মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবী জানান। এদিকে প্রায় ৬ মাস আগে সড়কটি সংস্কারে দরপত্র আহ্বান ও ঠিকাদার নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হলেও কাজ শুরু হয়নি। চলতি বর্ষা মৌসুম শেষ না হলেও কাজ শুরু করা যাবে না বলে জানান সংশি¬ষ্টরা। ভেড়ামারা উপজেলা প্রকৌশলী রাকিব হোসেন সড়কটির ভয়াবহ অবস্থার কথা স্বীকার করে বলেন, প্রায় ৬ মাস আগে টেন্ডার করে ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সংস্কার প্রকল্পটি  বিদেশি অর্থ সাহায্যপুষ্ট হওয়ায় কিছু জটিলতার কারণে এখনও ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেওয়া সম্ভব হয়নি। এ কারণে ঠিকাদার এখনও কাজ শুরু করতে পারেনি। তিনি বলেন, সব জটিলতা কাটিয়ে অচিরেই ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেওয়া হবে। তবে চলতি বর্ষা মৌসুম শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংস্কার কাজ শুরু হবে না বলেও জানান তিনি।
SK Computer, Godagari, Rajshahi. 01721031894

About জনতার কথা ডেস্ক

Check Also

কুষ্টিয়ায় ঈদের কেনাকাটা করার জন্য টাকা না পাওয়ায়, এক স্কুল শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

শাহীন আলম লিটন, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বাবার উপর অভিমান করে রত্না খাতুন (১৪) নামের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *